ব্লগিং ক্যারিয়ার কিভাবে শুরু করবেন

আমি অনেক মানুষকে দেখেছি যারা অনেক আগ্রহ নিয়ে ব্লগিং পেশায় আসে। কিন্তু একটা সময় যাওয়ার পর আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। এর অবশ্য যথেষ্ট কারন আছে।

দেখুন আপনি কোন বিষয় নিয়ে ছয় থেকে সাত মাস সময় দিচ্ছেন কিন্তু কোন ধরনের সফলতা পাচ্ছেন না। সেই ক্ষেত্রে যে কেউ আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।

কিন্তু সমস্যা হল বেশির ভাগ ব্লগার যে ভাবে তার ক্যারিয়ার শুরু করে তাতে করে সফলতার হার কম হওয়ার কথা।

দেখুন আপনি এমন একটি বিষয় নিয়ে কাজ করবেন যার ফাদার হচ্ছে ‍গুগল তার পরে অন্য সকল সার্চ ইঞ্জিন। সুতরাং আপনাকে এসইও সম্পর্কে জানতেই হবে। আপনাকে এসইও বিষয়ে এক্সপাট হতে বলছি না। কিন্তু বেসিক বিষয় গুলো জেনে রাখাটা ভালো হবে।

ব্লগিং ক্যারিয়ার শুরু করার জন্য আপনাকে যা যা করতে হবে

বিষয় নির্বাচনঃ একটি বিষয় নির্বাচন করুন। এমন একটি বিষয় নির্বাচন করুন যার সম্পর্কে আপনি ভালো জ্ঞান রাখেন।

ডোমেইন হোস্টিং কোম্পানি বাছাইঃ যেহেতু হোস্টিং বিষয়টির সাথে সাইটের একটি সম্পর্ক আছে সেহেতু চেষ্টা করুন ভালো কোন কোম্পানি থেকে হোস্টিং ক্রয় করার।

ব্লগ থিমঃ থিম ফরেস্ট থেকে ৩০ থেকে ৪০ ডলারের মধ্যে ভালো থিম পেয়ে যাবেন। আপনার বাজেট আরও কম হলেও সমস্যা নেই। কারন এর থেকে আরও কম মূলে থিম ফরেস্ট থেকে থিম ক্রয় করা যায়।

নোটঃ অনেক ব্লগার ফ্রি থিম ব্যবহার করে। আপনি চাইলে ফ্রি থিম ব্যবহার করতে পারেন। তবে আমি বলব পেইড থিম ব্যবহার করা ভালো।

থিম ইন্সটল দেওয়ার পর ব্লগের লোগো, আইকন যুক্ত করুন। মোটামুটি কিছু কাস্টমাইজেন করে পোষ্ট লেখা শুরু করতে পারেন।

অনলাইন ব্যবসা শুরু করার পূর্বে যা চিন্তা করা উচিত

ব্লগের ভিজিটর

আপনার ব্লগে ভিজিটর আসলে আপনি সফল। ভিজিটর না আসলে আপনি একজন ব্যর্থ ব্লগার। ভিজিটর দুই ভাবে ব্লগে প্রবেশ করে এক রেফার দিয়ে দুই গুগল সার্চের মাধ্যমে। আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ার সম্পূর্ণ ভাবে নির্ভর করবে ব্লগের ভিজিটরের উপর।

আপনার লেখার উপর নির্ভর করবে আপনি কোথা থেকে ভিজিটর নিয়ে আসবেন। কিছু কিছু পোষ্ট আছে যা কখনো গুগলে সার্চ হয় না। অথবা সার্চ হলেও খুবেই সীমিত। কিন্তু সেই সকল বিষয় সার্চ হয় না সেই সকল বিষয় সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে শেয়ার করলে মানুষ পড়ে।

ধরুন আপনি সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে একটি পোষ্ট লিখলেন “আজ থেকে ১ বছর পর আপনি কোথায় থাকবেন জানেন কি!” কিছুটা কনফিউশন এবং কিউরিসিটি মূলক প্রশ্ন।

এই ধরনের লেখা সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে শেয়ার করে আপনি আপনার ব্লগের একই বিষয়ের উপর লিংক শেয়ার করতে পারেন।

ভিজিটর কে ভালো লাগলে আপনার লেখা ব্লগ সাইটি মানুষ বুকমার্ক করে রাখবে। যাতে করে পরর্বতীতে পড়তে পারে।

নোটঃ সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ভিজিটর চাইলে আপনার ব্লগের পোষ্ট হতে হবে সোশ্যাল মিডিয়া ভিজিটর ভিত্তিক।

আরর্গানিক ভিজিটরঃ গুগল থেকে সার্চ করে যে সকল ভিজিটর আসে তাদের আরর্গানিক ভিজিটর বলে। ধরুন আমি ব্লগে সার্চ করলাম “ ব্লগ এবং ব্লগিং কি “ এর পরে ১০টি ব্লগ সাইটের রেজাল্ট দেখাবে। যদি আমার ব্লগটি ১ থেকে ১০ রেজাল্টের মধ্যে থাকে তাহলে আমি কিছু ভিজিটর পাবো আমার ব্লগে। এটাই হল আরর্গানিক ভিজিটর।

সুতরাং আপনার ব্লগের লেখা নির্ভর করবে আপনি কোন ধরনের ভিজিটর নিয়ে আসতে চান আপনার ব্লগে।

নোটঃ সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম থেকে ভিজিটর নিয়ে আসা যত সহজ গুগল সার্চ থেকে ভিজিটর নিয়ে আসাটা তত সহজ নয়। কারন, গুগলের ১ থেকে ১০ রেজাল্টে আসার জন্য আপনাকে কন্টেন্ট এসইও ফেন্ডলি লেখা সহ অফপেজ এবং অনপেজ এসইও সঠিক ভাবে করতে হবে।

অনলাইন থেকে অর্থ আয়কি খুবেই সহজ।

উপরের বিষয় গুলো ছাড়া আপনাকে জানতে হবে আপনি কিভাবে ভালো ব্লগ লিখতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে ব্লগ লেখার নিয়ম গুলো পরিপূর্ণ ভাবে জানতে হবে।

This div height required for enabling the sticky sidebar